চিড়া খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

চিড়া খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

চিড়া এক ধরনের খাবার যা ধান থেকে তৈরী করা হয়। চিড়া এমন একটি খাবার যা বিভিন্ন উপায়ে খাওয়া যায়, আপনি চাইলে গুড় দিয়ে শুকনো চিড়া খেতে পারবেন আবার পানিতে ভিজিয়ে দুধ, নারকেল, কলা, মিষ্টি বা দই দিয়েও খেতে পারেন। দই চিড়া মিষ্টির দোকানগুলোতে প্রচলিত একটি খাবার। চিড়া খুব সহজেই হজম হয় এবং পেট ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

চিড়া খাওয়ার উপকারিতা:

  1. চিড়াতে আঁশের পরিমাণ খুবই কম থাকে। যেকারণে ক্রন’স ডিজিজ (অন্ত্রের অসুখ), ডায়রিয়া, আলসারেটিভ কোলাইটিস, ডাইভারটিকুলাইসিস ও অন্ত্রের প্রদাহজানিত অসুখ বা রোগ প্রতিরোধে চিড়া খাওয়ার উপকারিতা অনেক।
  2. চিড়ায় সোডিয়াম ও পটাসিয়ামের পরিমাণ অনেক কম থাকে ফলে কিডনির সমস্যা আছে এমন রোগিদের ক্ষেত্রে চিড়া খাওয়ায় বেশ উপকারিতা পাওয়া যায়।
  3. সিলিয়াক রোগের রোগীদের জন্যেও চিড়া অনেক উপকারী। যেহেতু চালের প্রোটিন প্রোলামিন এবং গ্লুটেলিনের শোষণে কোন সমস্যা নেই সেহেতু সিলিয়াক রোগীদের জন্য চিড়া খাওয়া নিরাপদ।
  4. চিড়া দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে, তাই যারা ওজন কমাতে চাচ্ছেন তারা নিয়মিত খাদ্য তালিকায় চিড়া রাখতে পারেন।
  5. চিড়া খুবই সহজপাচ্য একটি খাবার যা পুষ্টি ও শক্তি দুই-ই জোগান দেয় শরীরে।
  6. শরীর ঠান্ডা রাখতে চিড়া অনেক উপকারী।

চিড়া খাওয়ার অপকারিতা:

  • চিড়াতে প্রচুর পরিমাণ শর্করা (কার্বোহাইড্রেট) থাকে এবং চিড়া উচ্চ গ্লাইসেমিক সূচক সমৃদ্ধ একটি খাবার যা আতিরিক্ত গ্রহণ করলে "সিরাম ট্রাইগ্লিসারাইডের" ঘনত্ব বেড়ে যায়। ফলে ভাল কোলেস্টেরল কমে যায় এবং "কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের" ঝুঁকি বাড়ায়।

তাই চিড়া খাওয়ার উপকারিতা অনেক থাকলেও চিড়া খাওয়ার অপকারিতা রয়েছে। আতিরিক্ত চিড়া খেলে উল্লিখিত সমস্যার সম্মুখিন হতে পারেন আপনিও। এ কারণে আমাদের সবাইকে চিড়া খাওয়ার অপকারিতা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

চিড়া খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা:

চিড়া আমাদের কাছে খুবই সাধারণ একটি খাবার। পেট ঠাণ্ডা করতে, পানির অভাব পূরণ করতে এবং সেই সঙ্গে ক্ষুধা নিবারণে চিড়ার গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে চিড়াও ক্ষতি করে।

চিড়ায় সোডিয়াম এবং পটাসিয়ামের পরিমাণ কম থাকায় এটি কিডনি রোগীদের জন্য উপকারি। চিড়া শরীরের পুষ্টি ও শক্তি দুই-ই জোগান দেয় এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, চিড়াতে থাকা শর্করা (কার্বোহাইড্রেট) এবং উচ্চ গ্লাইসেমিক আমাদের রক্তে এক ধরণের চর্বি বা লিপিডের (সিরাম ট্রাইগ্লিসারাইড) ঘনত্ব বাডিয়ে দেয় যা আমাদের শরীরের ভাল কোলেস্টেরলগুলোকে ধ্বংস করে এবং "কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের" দিকে ঠেলে দেয়।

শেষকথা, শরীরকে শুস্থ রাখতে আমারা চিড়া খেতে পারি তবে আতিরিক্ত চিড়া খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। সবচেয়ে উত্তম হবে চিড়া খাওয়া নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত না করে অনিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করা।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url